করোনা ভাইরাসে থমকে গেছে সারাদেশ। সারা বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে জ্যামিতিক হারে দেশব্যাপী বাড়ছে আক্রান্তের হার। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবেলায় আর্ত মানবতার সেবায় অনেকেই ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভূমিকা সারাদেশব্যাপী ব্যাপক প্রশংসিত হয়। করোনার প্রাদুর্ভাব দিন দিন যেমন বাড়ছে, তেমন ছাত্রলীগের ব্যতিক্রমী কার্যক্রম নানাভাবে খবরের শিরোনাম হচ্ছে।

কুষ্টিয়া জেলায় বিগত বেশ কিছুদিন যাবৎ করোনা আইসোলেশন সেন্টারগুলোতে সেচ্ছায় কাজ করে যাচ্ছে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের অন্যতম সংগঠক হাফিজ শেখ চ্যালেন্জ এর নেতৃত্বে জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। করোনাকালীন সময়ে এই সংগঠনটির কার্যক্রম পুরো জেলায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। গত ৫ই জুন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম হোসেন করোনাক্রান্ত হোন। আজ জেলা প্রশাসকের খোঁজ খবর নিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উনার বাসায় যায়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে হাফিজ শেখ চ্যালেন্জ জনতারমুখ’কে মুঠোফোনে জানান, ‘কুষ্টিয়া জেলার করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই আমরা আইসোলেশন সেন্টারগুলোতে নিরিবিচ্ছিন্ন সেবা দিয়ে যাচ্ছি। ছাত্রলীগের এই কার্যক্রম সর্বমহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক গত পরশু করোনা আক্রান্ত হোন। কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক এর বাসাতে ছাত্রলীগের স্বেচ্ছাসেবক টিম ডি,সি মহোদয়ের সেবাতে নিয়োজিত আছেন।

বর্তমানে ডি,সি মহোদয় আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছে। ডাক্তার মূসা কবির নিজে গিয়ে এবং কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ তাপস কুমার সরকার ছাত্রলীগের স্বেচ্ছাসেবক দের সাথে সবসময় ফোন যোগাযোগের মাধ্যমে খোঁজ নিচ্ছেন এবং দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। আমাদের মানবিক চেতনাবোধ থেকে সেচ্ছায় এগিয়ে আসার এই কার্যক্রম আগামীতেও অব্যহত থাকবে।