আজ ১৭ই আগস্ট সোমবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

আলোচনা সভায় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘১৯৭৫ সালে নির্মম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে শেষ করতে চেয়েছিল স্বাধীনতাবিরোধীরা। কিন্তু তারা জানত না যে বঙ্গবন্ধু শুধু ওই ৬ ফুট দেহের মধ্যেই ছিলেন না, ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রতিটি ইঞ্চি, বাংলার প্রতিটি মানুষের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু বিদ্যমান। ফলে তাকে হত্যা করেই তাকে শেষ করে সব শেষ করা যায়নি।’

‘’আমরা জানি বঙ্গবন্ধুর খুনি রশিদ, ফারুক, হুদা, ডালিম, নূর, শাহরিয়ার, মাজেদ এরা সবাই সেনাবাহিনীর সদস্য ছিল। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করতে কে তাদের মদদ দিয়েছিলো? উৎসাহিত করেছিলো? সম্প্রতি খুনি মাজেদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে কি ভাবে জড়িত ছিলেন। জিয়াউর রহমান কি ভাবে তাদেরকে মদদ দিয়েছেন, কি ভাবে তাদেরকে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন এবং সহযোগিতা করেছিলেন তাও বলেছেন। এতে প্রমাণিত হয় জিয়াউর রহমানের প্রত্যক্ষ মদদের বিষয়।’’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু জিয়াউর রহমান সেই বিচারের আওতায় আসেননি। এত বড় নৃশংস কাণ্ডে যিনি জড়িত তার মরণোত্তর বিচার হওয়া প্রয়োজন।’

ছাত্রলীগ নেতকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেকটি নেতাকর্মীকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে আমিই ছাত্রলীগ, আমিই বাংলাদেশ ,আমিই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী, আমিই দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড।’

আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাশের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক ও সেতু মন্ত্রাণলয়ের মাননীয় মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এম.পি। এছাড়া প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্ট্যাচার্য।

এছাড়া সভায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্য-নির্বাহী সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।