২৪ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সন্ধা সাতটা থেকে এগারোটা পর্যন্ত রাজধানীর শাহীন ক্লাবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আতিকুল ইসলাম অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের সাথে মতবিনিময় করেন। এছাড়া দীর্ঘ মেয়াদি কর্মসূচির মাধ্যমে তিলোত্তমা ঢাকাকে একটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনার আওতায় আনার জন্যে নিজস্ব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন আলোচনায়।

মূলত তার নির্বাচনী প্রচারাভিযানে অংশ নিয়েছিলেন যারা, তারা নগরের কোন কোন বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিৎ হবে, সেগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে নির্বাচন পরবর্তীতে করনীয় কি তা নিয়ে অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের একাংশের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও আলোচনা করেন। অংশগ্রহন কারী দের বক্তব্য ও সুচিন্তিত মতামত আগ্রহ নিয়ে শুনেছেন তিনি।

আলোচনায় উপস্থিত হওয়ার জন্য নিজের ব্যাক্তিগত গাড়িতে করে রওনা হয়েছিলেন, রাস্তায় জ্যামজটে আটকে গেলে কিছু পথ পায়ে হেঁটে ও রিক্সায় করে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নগর সেবক খ্যাত আতিকুল ইসলাম।

আলোচনায় সর্বাগ্রে প্রাধান্য পেয়েছে এডিস মশা নিধন, সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, ওয়ার্ড কাউন্সিলদের সঙ্গে নিয়ে প্রত্যেক ওয়ার্ডের নাগরিকদের সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনা ও তাদের অভিযোগ গ্রহণ, দীর্ঘ মেয়াদি উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা, নগর নিরাপত্তা, শহরের ভবন গুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মাল্টি আউটকাম বেসিস আবর্জনা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি।

এসব সমস্যা নিয়ে তিনি (নগর সেবক) হিসেবে নিজস্ব পরিকল্পনা, নানা বিষয়ে প্রায় তিনঘন্টা ব্যাপী দীর্ঘ আলোচনা করেছেন উপস্থিতির সামনে। এসময় তিনি বলেন আমি নগর পিতা হিসেবে না, নগর সেবক হিসেবে জনগনের আস্থার প্রতিদান দিতে প্রস্তুত।
নগর সেবক বলেন ‘সিটি কর্পোরেশনের সব কার্যক্রমই অনলাইনে আনার পরিকল্পনা আছে। বিশেষত অ্যাপসের মাধ্যমে নগরের সকল অভিযোগ জানা ও সমাধান এবং ৩৩৩ সার্ভিসকে আরও বেশি সক্রিয় করে তোলাই হবে নগর সেবক হিসেবে অন্যতম লক্ষ্য।

উল্লেখ্য, গত এক ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনেই জয়ী হয়েছে আওয়ামিলীগ। ডিএনসিসি নির্বাচনে আতিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ লাখ ৪৭ হাজার ২১১ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রার্থী তাবিথ আউয়াল পেয়েছেন ২ লাখ ৬৪ হাজার ১৬১ ভোট।