মরণব্যাধি করোনা ভাইরাসে বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। বাংলাদেশে করোনার প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলছে। দেশে করোনায় এপর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে দুই লাখের অধিক মানুষ। সংকট মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশে শুরু থেকেই দেশব্যাপী নিজেদের ফেলে আসা অতীতের জানান দিয়েছে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতীম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

জাতীয় এই দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। দেশের ক্রান্তিকালে সংগঠনটির কেন্দ্র থেকে তৃণমুলের কার্যক্রম ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংসদে বেশ কয়েকবার ছাত্রলীগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

করোনা সংকটে সর্বমহলে প্রশংসিত জয়-লেখক পরিষদ 1

করোনার শুরুতে সারাদেশে হ্যান্ড স্যানিটাইজার আর মাস্কের দাম যখন আকাশ ছোঁয়া তখন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা হ্যান্ড স্যানিটাইজার সারাদেশে, প্রতিটি জেলায়, উপজেলায়, ওয়ার্ডে বিনামূল্যে বিতরণ করেছে। এরপর শুরু হলো সাধারণ ছুটি। তখনই দেশব্যাপী সরকারের সাথে সাথে নিজেদের হটলাইন থেকে মধ্যবিত্তদের ঘরে খাবার পৌঁছিয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সাধারণ ছুটিতে সবচেয়ে বড় ধাক্কটা পড়ছিলো কৃষিতে। ধান কাঁটার লোক নাই, শ্রমিকের বেতন বেশি। সময়মত ধান কাটা না হলে ধান ঝড়ে যাবে। আবার বৃষ্টি হলে পানিতে তলিয়ে যাবে। ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারাদেশে নেতাকর্মীরা নেমে পড়লো কাঁচি হাতে। এখন পর্যন্ত দেশের প্রায় সব জেলায় ধান কেঁটে দিয়েছে ছাত্রলীগ।

করোনা সংকটে সর্বমহলে প্রশংসিত জয়-লেখক পরিষদ 2

দেশের ৪৫টা জেলায় ৩০০’র বেশী স্থানে ফ্রি সবজী বিতরণ করেছে সংগঠনটির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। হাজার হাজার দিনমজুরকে প্রতিদিন রান্না করে খাওয়াচ্ছে বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী। বিগত কয়েকমাসে করোনায় যারা মৃত্যবরণ করছেন যখন তাদের শেষ যাত্রায় স্বজনরা আতংকে দূরে সরে যাচ্ছেন ঠিক তখনই সারাদেশে ছাত্রলীগের কয়েকটি ইউনিটের নেতাকর্মীরা করোনায় মৃত ব্যক্তিদের জানাজা, লাশ দাফন করেছে।

করোনা সংকটে সর্বমহলে প্রশংসিত জয়-লেখক পরিষদ 3

দেশের এই সংকটে ছাত্রলীগের এমন কার্যক্রমকে দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সাধারণ জনগণ। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্ট্যাচার্য্যের যোগ্য নেতৃত্বে সংগঠনটির ভাবমুর্তি আগের তুলনায় আরো উজ্জ্বল হয়েছে বলে মনে করছেন সাধারন মানুষ।

আরও পড়ুন-