জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমাতে এবং শূন্য কার্বন নিঃসরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ানও জলবায়ু পরিবর্তনে সু-বিচার, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ বিশ্বে সুরক্ষিত পরিবেশের দাবিতে পটু্য়াখালী গ্লোবাল স্ট্রাইক ফর ক্লাইমেট জাস্টিস কর্মসূচি পালন করেছে তরুণরা।

রবিবার সকালে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের আয়োজনে ও দি পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সহযোগিতায় বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধ কার্যক্রম সপ্তাহের অংশ হিসেবে প্রতিবাদ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়

অংশগ্রহণকারীরা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন লঞ্চ টার্মিনাল হয়ে পটুয়াখালী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে গিয়ে শেষ করে।

কর্মসূচির সভাপতি ও পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ভিপি আব্দুল মান্নান, পটুয়াখালী পৌর সভার মেয়র ও দি চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি মহিউদ্দিন আহমদ, দি চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার ফরহাদ জামান বাদল, উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন কমিটির আহবায়ক শ.ম. দেলোয়ার হোসেন দিলিপ, শুকতারা মহিলা সংস্থার পরিচালক মাহফুজা ইসলাম, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি হাসিবুর রহমানসহ বিভিন্ন যুব সংগঠনের প্রতিনিধি বৃন্দ।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলের মানুষ আজ বিপদাপন্ন। এই বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় তরুণদের ভূমিকা আরও অর্থবহ করতে জাতীয় পর্যায়ে নীতি নির্ধারণ থেকে শুরু করে তা বাস্তবায়নে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে হবে। একই সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী রাষ্ট্রসমূহকে ক্ষতিপূরণে বাধ্য করতে সোচ্চার হতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গোটা বিশ্ব ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে এই ঝুঁকির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এই বিষয়টি আমলে নিচ্ছে না। জলবায়ু পরির্বতনের ঝুঁকি হ্রাস করতে এসব দেশের ভূমিকা সংকীর্ণ। প্যারিস চুক্তি প্রণয়নের প্রায় ৫ বছর অতিক্রান্ত হলেও জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। তারা আমাদের ভবিষ্যত ও বর্তমান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। তাই ২০২৫ সালের মধ্যেই গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের মাত্রা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে৷

তারা আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী রাষ্ট্রসমূহের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় ও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আদায়কৃত অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করতে হবে।