জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল বারী বাবুর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আবদুল হাদী কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে চর আলগী এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে শফিউল বারী বাবুর রুহের মাগফেরাত কামনা এবং সকলের প্রতি দোয়া চেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন তার বড় ভাই সাইদুল বারী মির্জা। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন লিংকন, নোয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. শাহনেওয়াজ।

সকাল সোয়া ১০টায় রাজধানীর  নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তার প্রথম জানাজা হয়েছে।  

মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে রামগতি-কমলনগরে শোকের ছায়া নেমে আসে।

শফিউল বারী বাবু বেশ কিছুদিন ধরে ফুসফুসে সংক্রমণজনিত রোগে ভুগছিলেন। এর ফলে তার শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। সোমবার হঠাৎ করে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে দ্রুত তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে রাত ২টার দিকে তাকে এভার কেয়ার (সাবেক এ্যাপোলো) হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিউল বারী বাবু ক্যান্সারে ভুগছিলেন। এছাড়া বেশ কিছুদিন ধরে ফুসফুসের সংক্রমণে ভুগছিলেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৫১ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর  ডিগ্রি অর্জন করেন।

আরও পড়ুন-