করোনা মহামারীতে বিপর্যস্ত পুরো বিশ্ব। এই অদৃশ্য ভাইরাসে থমকে গেছে সারাদেশ। সারা বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে জ্যামিতিক হারে দেশব্যাপী বাড়ছে আক্রান্তের হার। গত কয়েকদিন যাবৎ চট্টগ্রামে আক্রান্তের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি মৃত্যুর হারও তুলনামূলক অনেক বেশি।

এই অবস্থায়, চট্টগ্রামে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় তিন হাজার পেরিয়েছে, তবে প্রয়োজনের তুলনায় করোনা রোগীর জন্য আলাদা হাসপাতালের সংখ্যা হাতেগোনা তিন-চারটা। গত কিছুদিন যাবৎ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকই প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

এই সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রামে আরও ৬টি হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য ৭৩০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার হচ্ছে বলে জনতারমুখ’কে জানিয়েছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে নগরে স্বাস্থ্য সেবাদানকারী অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এসব শয্যা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর মধ্যে সিআরবি রেলওয়ে হাসপাতালকে ১৫০ শয্যা, হলিক্রিসেন্ট হাসপাতালকে ৮০ শয্যা, ভাটিয়ারীর বিএসবিএ হাসপাতালকে ১০০ শয্যা, ইম্পেরয়িাল হাসপাতাল, আগ্রাবাদ সিটি হলে ২৫০ শয্যা ও বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতালকে ১০০ শয্যার করোনা আইসোলেশন সেন্টার করা হচ্ছে। শুক্রবার (২৯ মে) নতুন ছয়টি করোনা হাসপাতাল চালুর বিষয়ে সার্কিট হাউসে সমন্বয় সভায় মেয়র এসব তথ্য জানান।

জানা যায়, চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ এক্সেস রোডস্হ সিটি কনভেনশন হলে ২৫০শয্যার করোনা আইসোলেশন সেন্টার যাবতীয় সরন্জাম সহ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নে ও ব্যবস্থাপনায় তৈরী হচ্ছে।

আজ(২জুন) পরিদর্শনে চসিক মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন, নিজে স্বশরীরে গিয়ে আইসোলেশন সেন্টারের সকল জিনিসের মান যাচাই করছে।