বন্যা

যমুনা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধিতে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নসহ পৌর এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সোমবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত বন্যার পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। 

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ৮ ইউনিয়ন এবং পৌর এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার ৫২ হাজার মানুষ পানিবন্দি। ২৫ হাজার ঘরবাড়িতে বন্যার পানি উঠেছে। চিকাজানি এবং চুকাইবাড়ী ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। দুই ইউনিয়নে বন্যার পানির পাশাপাশি তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদে পানি ওঠায় উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। সোমবার সকালে ছোট ডিঙি নৌকায় করে কর্মকর্তাদের অফিস ত্যাগ করতে দেখা গেছে।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘বন্যার সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়েছে এবং প্রতিদিনই বন্যা আক্রান্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে।’

এছাড়াও দেওয়ানগঞ্জ সরকারি এ কে এম কলেজে অবস্থিত গণগ্রন্থাগার থেকে সোমবার হতে উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং বন্যার দিনগুলোতে এখানে থেকেই উপজেলা প্রশাসনের সমস্ত কার্যক্রম পরিচালিত হবে ।