গত ২৭ মে সুন্দরবনে পথ হারিয়ে ফেলা ৬ কিশোর কল করে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ। কলটির প্রথম রেসপন্ডার ছিলো কল টেকার পপি আক্তার। কল রিসিভ করে ঘটনার গুরুত্ব বুঝে তাদের উদ্ধারের ব্যবস্থা করতে তৎপর হয়ে উঠে।

শরণখোলা থানা, বন বিভাগ এবং এসপি বাগেরহাট কে জানানোর সাথে সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করতে থাকে তাদের সাথে। নানানভাবে তাদের কাছে থাকা মোবাইল ফোন ডিভাইস দিয়ে লোকেশন খুজেঁ বের করার চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে জানতে পারে, কিশোরদের মোবাইলের ব্যালেন্স শেষ। সাথে সাথে কারও জন্য অপেক্ষা না করে নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে মোবাইল রিচার্জ করে দেয়। ইমার্জেন্সি ফাস্ট রেসপন্ডার হিসাবে তার সার্বোচ্চ চেষ্টা আর আন্তরিকতা ছিলো কিশোরদের উদ্ধার তৎপরতা শুরু করার জন্য। বাকী গল্প সবার জানা। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হয় আটকে পড়া সকল কিশোর।

সুন্দরবনে আটকে পড়া কিশোর দল উদ্ধারের নেপথ্যে 'নায়ক' যিনি! 1
পুরষ্কার হাতে ৯৯৯ এর পপি আক্তার।

পপি আক্তারের এই চেষ্টা আর আন্তরিকতাকে আরও উৎসাহীত করতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর সম্মানিত অ্যাডিশনাল ডিআইজি জনাব তবারক উল্লাহ (বিপিএম) তাকে ক্রেস্ট প্রদান করেন।