আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনার মধ্য দিয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে। রোববার (১৭ মে) রাজধানীসহ সারাদেশে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু ও করোনাভাইরাসের কবল থেকে বাংলাদেশকে রক্ষায় মিলাদ, বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

রোবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ত্রাণসামগ্রী ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি।

এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব, যোগ্যতা, নিষ্ঠা, মেধা মনন সৃজনশীলতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এক সময়ের দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত বাংলাদেশের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করে সেই দেশকে আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, করোনা সংকটের শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কার্যকরি পদক্ষেপ নিয়েছেন বলেই বাংলাদেশে এখনো বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এই সংক্রমণ থেকে কিছুটা ভালো অবস্থানে আছে।

এদিকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের উদ্যোগে ১৭ই মে (রবিবার) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উদ্দ্যোগে অসহায়, ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।

এর আগে বাদে আসর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ প্রাঙ্গণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দেশ ও জাতির কল্যাণে, গণতন্ত্রের উন্নয়নে ও আধুনিক উন্নত সমৃদ্ধ অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ায় অসামান্য অবদান রাখার জন্যে জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুন্দর জীবন ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দোয়া মাহফিল ও বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করে।

দোয়া মাহফিল ও প্রার্থনা সভায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্য-নির্বাহী সংসদের নেতৃবৃন্দ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। সে সময় স্বামীর সঙ্গে দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান শেখ হাসিনা। ছোট বোন শেখ রেহানাও তার সঙ্গে ছিলেন। ১৫ আগস্ট পরবর্তী সরকারের অনুমতি না থাকায় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সে সময় দেশে ফিরতে পারেননি। ৫ বছর ৯ মাস পর ১৯৮১ সালের ১৭ মে ভারত থেকে দেশে ফেরেন তিনি। এর আগেই ওই বছরের ১৪-১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাকে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব দেয়া হয়।