মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা গরীব কে চাউল দিলেন জনপ্রতিনিধিদের কেউ কেউ চাউল চুরি করে সব টুকু অর্জন কে ম্লান করলেন।

পরিস্থিতি সামাল দিতে যখন বেশিরভাগ সংসদসদস্য মন্ত্রী মহোদয় গনেরা এগিয়ে আসলেন না তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতি জেলায় একজন করে সচিব দের দায়িত্ব দিলেন। এটা নিয়ে অনেক এমপি মনে মনে আহৃত হয়েছেন কিন্তু আপনাদের ভূমিকা ও নেত্রী দেখেছেন ফলে এমন স্বীদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।

তারপর নদগ টাকা ২৫০০/- করে গরীব কে দিবেন কাজ শুরু হলো এখানেও শুরু হয়েছে তুমুল মতান্তর। এখানেও হেরফের হয়েছে। কিন্তু এই চোর ধরার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবারও ফাঁদ পেতেছিলেন ইতিমধ্যে সেই ফাঁদে পা দিয়ে অনেকেই রাজনৈতিক পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। সিস্টেম এমন করে রেখেছিলেন যাতে নয়ছয় ধরা পড়বে এবং পড়েছেও।

তাহলে বোঝাই যাচ্ছে তিনি ইচ্ছে করেই এমন সিস্টেম ব্যবহার করেছেন এবং আপার নির্দেশেই এই সব চোর ধরা পড়ছে।

এরপর কি হবে কি মনে হয়?

যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এরপর তৃনমুল পর্যায়ের তালিকা প্রণয়নের জন্য এনজিও গুলো কে দায়িত্ব দিয়ে দেন তখন কি করবেন ও চোরের দল? তোমাদের মতন কিছু চোরের জন্য অনেক ভালো জনপ্রতিনিধিরা বিতর্কিত হচ্ছে, সম্মান হারাচ্ছে।

সর্বপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সব অর্জন গুলো কে সমালোচিত করছে তোমরা করোনা থেকেও জঘন্য। তোমরা ইবলিশ শয়তানকে আপন সহদর।

দিনশেষে বঙ্গবন্ধুর কন্যার জন্য খুব কষ্ট হয় মায়া হয় মানুষটাকে এরা সাপোর্ট দিতে পারলো না চাটার দল সব চেটে খেতে খেতে আপার অর্জন গুলোতে ও দাগ লাগাচ্ছে কিন্তু তিনি আপা সব আঁধার কে পেছনে ফেলে সাফল্যের আলো জ্বালিয়ে ছাড়বেন ইনশাআল্লাহ।

লিখেছেন- মো মেহেদী হাসান রাসেল, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা।