ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

গত মাস জুড়েই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবর হচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। প্রথমে দুই সপ্তাহের করোনাযুদ্ধে জয়ী হওয়া, এরপর হাসপাতাল ছেড়ে বাড়ি গিয়েই হয়েছেন বাবা। বান্ধবীর কোলে এসেছে ফুটফুটে ছেলে। কিন্তু এবার খবর, বউয়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন করেছেন তিনি

বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলছিলো দুই বছর কয়েক ধরেই। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্ত্রী ম্যারিনা উইলারের সঙ্গে পাকাপাকিভাবে বিবাহবিচ্ছেদ করেছেন বরিস জনসন, আর তাতেই ভাঙলেন ব্রিটেনের ২৫০ বছরের রেকর্ড। কিছুদিন আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে আসা বরিস দেখালেন, ডিভোর্স দিয়েও যে ইতিহাসে নাম তোলা যায়!

ব্রিটেনের ইতিহাসে ২৫০ বছর পর কোনো প্রধানমন্ত্রী পদে থাকাকালীন ডিভোর্স দিলেন স্ত্রীকে। ১৯৯৩ সালে প্রথম স্ত্রী অ্যালেগ্রা ওয়েনের সঙ্গে ডিভোর্সের ১২ দিন পর ম্যারিনাকে বিয়ে করেন বরিস। প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে সহপাঠী উইলারের কাছে ফিরে গিয়েছিলেন বরিস।

বরিস ও ম্যারিনার দুই ছেলে ও দুই মেয়েও বর্তমান। কিন্তু দাম্পত্য কলহের জেরে ২০১৮ সাল থেকে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২ বছর পর ডিভোর্সের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল। এবার বান্ধবী ক্যারি সাইমন্ডসকে বিয়ে করার ক্ষেত্রে আইনত আর কোনো বাধা নেই বরিসের, গত ২৯ এপ্রিল বাবা হয়েছিলেন তিনি।

ব্রিটেনে প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থা স্ত্রীকে ডিভোর্সের ঘটনা এর আগে ঘতেছিলো ১৭৬৯ সালে, তত্‍কালীন প্রধানমন্ত্রী অগাস্টাস ফিত্‍জরয় পদে থাকাকালীন নিজের স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছিলেন। আর তার ২৫০ বছর পর সেই রেকর্ড ভাঙলেন বরিস জনসন।

আরও পড়ুন-