২০০০ সাল থেকে শুরু তাঁর এই পুরস্কার দেয়া। ছাত্ররা কেউ সেঞ্চুরি কিংবা পাঁচ উইকেট পেলেই ছাত্রদের ১০০ টাকা পুরস্কার দেন, সে হোক সাবেক কিংবা বর্তমান ছাত্র!

ছাত্রদের প্রতি নিখাদ ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণা যোগানো বিকেএসপির এই কোচের নাম মন্টু দত্ত। এই যেমন গতকাল দক্ষিণ আফ্রিকায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ম্যাচ জেতানো সেঞ্চুরি করার পুরষ্কার তুলে দিলেন মাহমুদুল হাসানের হাতে। বিসিবি একাদশের হয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে বিকেএসপির মাঠে যাওয়া মাহমুদুলকে ঘটা করেই নিজের স্বাক্ষর করা ১০০ টাকার নোট হাতে তুলে দেন কোচ মন্টু দত্ত।

কোচের কাছ থেকে ১০০ টাকা পুরস্কার পেয়ে দারুণ খুশি মাহমুদুল জানান- ‘খুব ভালো লাগছে। আমি সব সময়ই স্যারের কাছ থেকে ১০০ টাকা নেওয়ার চেষ্টা করি। সামনে আরও নেব ইনশা আল্লাহ।’ মন্টু দত্তও ছাত্রদের এমন পুরস্কার দেয়াটা ভীষন উপভোগ করেন, খুশি মনে জানালেন- ‘খুব ভালো লাগছে। আমি চাই ও সব সময় আমার কাছ থেকে ১০০ টাকা নিক। একবার ৯৯ রানে (নিউজিল্যান্ড সফরে) আউট হওয়ায় মিস করেছে। যুব ওয়ানডেতে এই পর্যন্ত সে ছয়বার নিয়েছে। সব মিলিয়ে নিয়েছে ৯ বার।’

পাঁচ উইকেট কিংবা শতকে পুরষ্কার দিয়ে প্রতি মাসে তাই হাজার দুয়েক টাকা সাবেক-বর্তমান ছাত্রদের পুরস্কার দিতেই চলে যায় তাঁর। মন্টু দত্তের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি ১০০ টাকা পুরস্কার পাওয়া নামটা বেশ পরিচিত, বিকেএসপির ছাত্র লিটন দাস। এখনো সেঞ্চুরি করলে কোচের কাছে থেকে পাওনা টাকা আদায় করে নিতে ভুল করেন না লিটন। লিটন দাস সম্পর্কে মন্টু দত্ত জানান- ‘লিটন আমার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি টাকা নিয়েছে। অনূর্ধ্ব-১৪ থেকেই সে সেঞ্চুরি করত আর আমি টাকা দিতাম।’