বছরের পর বছর ধরে চলে আসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সার্বজনীন সরস্বতীপূজা শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু ধর্মীয় কোন বিষয় নয়। এর সাথে জড়িত রয়েছে শিক্ষার্থীদের বাংলার অসাম্প্রদায়িক চেতনার সাথে পরিচয়পর্ব, ধারাবাহিকভাবে চলে আসা ঐতিহ্যের সংমিশ্রণ আর উৎসবমুখর আবেগ।

একই দিনে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র গুলো অধিকাংশই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে হওয়ায় স্বভাবতই প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সার্বজনীন সরস্বতীপূজার ছন্দপতন হবে। ঢাকায় এই নির্বাচন শুধু শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন-উৎসবমুখর পরিবেশ বিঘ্নই ঘটাবে না বরং একটা উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে যে ধর্মীয় উৎসবের দিনেও নির্বাচন করা হয় বাংলাদেশে!

'নির্বাচনটা কি পূজার দিনেই তাই?’ 1

নির্বাচন এগিয়ে কিংবা পিছিয়ে দিলে হয়তবা প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার সংক্রান্ত কিছুটা ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমাদের যে সুদূরপরাহত ক্লান্তিহীন পথচলা তা বাধাগ্রস্ত হবে, এটা একপ্রকার নিশ্চিত!

৩০ জানুয়ারি নির্বাচন পিছিয়ে দেয়া না পর্যন্ত প্রয়োজনে শেষ দিন অদ্যাবধি ছাত্র সমাজের এই আন্দোলন চলমান থাকুক। জাগ্রত থাকুক যুগে যুগে অসাম্প্রদায়িক লড়াই এগিয়ে নেয়ার ছাত্রসমাজের এই নিরন্তর সংগ্রাম!

লিখেছেন- রকিবুল ইসলাম ঐতিহ্য, সদস্য, ডাকসু