আজ বহুল কাঙ্খিত ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ ই- পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনার উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ই-পাসপোর্টের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

পাঁচবছর মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠার ই-পাসপোর্টের সাধারণটি পাওয়া যাবে ১৫ দিনে। তবে জরুরি ও অতি জরুরি পাসপোর্ট মিলবে সাত দিন ও দুই দিনে। পাসপোর্টে খরচ পড়বে সাড়ে তিন হাজার (সাধারণ), সাড়ে পাঁচ হাজার (জরুরি) ও সাড়ে সাত হাজার (অতি জরুরি) টাকা।

দশবছর মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠার সাধারণ পাসপোর্ট পাওয়া যাবে ১৫ দিনে। জরুরি ও অতি জরুরি পাসপোর্ট মিলবে সাত দিন ও দুই দিনে। খরচ পড়বে পাঁচ হাজার (সাধারণ), সাত হাজার (জরুরি) ও নয় হাজার (অতি জরুরি) টাকা।

এছাড়া পাঁচ বছর মেয়াদী ৬৪ পৃষ্ঠার সাধারণ পাসপোর্টও পাওয়া যাবে ১৫ দিনে। খরচ পড়বে সাড়ে পাঁচ হাজার (সাধারণ), সাড়ে সাত হাজার (জরুরি) ও সাড়ে দশ হাজার (অতি জরুরি) টাকা।

ই-পাসপোর্ট কোথায়, কতদিন কিংবা কত টাকায় পাবো? 1

দশবছর মেয়াদী ৬৪ পৃষ্ঠার সাধারণ পাসপোর্টের পাওয়া যাবে ১৫ দিনে। খরচ পড়বে সাত হাজার (সাধারণ), নয় হাজার (জরুরি) ও ১২ হাজার (অতি জরুরি) টাকা। সকল পাসপোর্টের উপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হবে।

প্রাথমিকভাবে কেবল আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ী এবং উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে মিলবে ই-পাসপোর্ট। পর্যায়ক্রমে সর্বত্র বিতরণ করা হবে ই-পাসপোর্ট। তবে ২০২০ সালের মধ্যে দেশের সর্বত্র ই-পাসপোর্ট চালু হবার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। পুরোদমে চালু হলে প্রতিদিন ২৫ হাজার পাসপোর্ট ইস্যু করা যাবে।